শুক্রবার, ৪ জানুয়ারি, ২০১৩

•••নামাজ এবং বউ•••




•••নামাজ এবং বউ••• 

•••গল্প -- ফজরের নামাজ পড়ার জন্য যেভাবে উঠতে পারেন •••

আমার স্ত্রীই সবসময় আমাকে ফজরের নামাজে ঘুম থেকে ডেকে দেয়। কিন্তু একবার তাঁর বোনের বিয়ের আয়োজন করতে সে মায়ের সাথে কয়েকদিন থাকে তাদের বাসায়।

এইসময়ে কীভাবে ফজরে উঠব সেটাই ছিল আমার দুঃশ্চিন্তার বিষয়। কারণ, বিয়ের পর তার ডাকেই আমি ফজরে ঘুম থেকে ঊঠতাম, একরকম  অভ্যাস হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এরো একটা সুন্দর সমাধান সে করে গেল...
...

সে তার এলার্ম ঘড়িটা বাথরুমে রেখে গেল, আর বলে গেল ঘুমানোর সময় বাথ্রুমের দরজাটা যেন খোলা থাকে। যখন এলার্মের সময় হয়ে যেত তখন সেটা বাজা শুরু করত আর তার প্রতিধ্বনি সম্পূর্ণ বাসা জুরে হত। আর যখন আমি সেই এলার্ম বন্ধ করতে যেতাম আমি নিজেকে আবিষ্কার করতাম বাথ্রুমের "বেসিনের" সামনে...

আর এরপর আমাকে অজু করতেই হত :)


.........................ফেসবুক থেকে সংগৃহীত..........................................

মঙ্গলবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৩

হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ওয়াদা ও অত্যাচারী শাসক হরমুজান।



হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ওয়াদা ও  অত্যাচারী শাসক হরমুজান।

 
ইসলামী শাসনকালের লৌহমানব হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর খিলাফতকাল। তখন ইরানের একটি প্রদেশের শাসক ছিলেন হরমুজান। হরমুজান একদিকে যেমন অত্যাচারী অপরদিকে ঘোর ইসলাম বিরোধী। মুসলমানদের সাথে তার লড়াই হতো প্রায়ই। লড়াইয়ে পরাজিত হলেই তিনি বিভিন্ন শর্তে সন্ধী করতেন এবং নিজের রাজ্যে ফিরে যেতেন। কিন্তু এরপর আবার যখনই সুযোগ পেতেন মুসলমানদের ক্ষতি সাধন করেতেন।

শেষে খলীফা হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আদেশ দিলেন, হরমুজানকে জীবন্ত ধরে এনে তাঁর মজলিসে হাজির করতে। ইতিমধ্যে এক যুদ্ধে হরমুজান মুসলমানদের হাতে বন্দী হলেন। খলীফার হুকুম মোতাবেক তাকে বেঁধে খলীফার দরবারে হাজির করা হলো।

খলীফা হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে লক্ষ্য করে বললেন,

আপনি আমাদের সাথে বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, আর আপনার বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই আমাদের বারবার যুদ্ধ বিগ্রহে জড়িয়ে পড়তে হচ্ছে। ফলে অসংখ্য মুসলিম সৈন্যকে অযথা প্রাণ দিতে হচ্ছে। তাদের অর্থ সম্পদ নষ্ট হয়েছে। অনেকে ঘরবাড়ি আপনি ধ্বংস করেছেন। নিরীহ অনেক লোকের উপর আপনি অন্যায়ভাবে অত্যাচার চালিয়েছেন। আপনাকে আর সুযোগ দেয়া যায় না। আপনার একমাত্র শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পূর্বে আপনার কোন কথা থাকলে বলতে পারেন।

হরমুজান ছিলেন খুব সূক্ষবুদ্ধির লোক। সুযোগ পেয়ে তিনি একটি ফন্দী আঁটলেন। তিনি বললেন,
মহানুভব খলীফাতুল মুসলিমিন, আমার বড়ই পিপাসা পেয়েছে, দয়া করে আমাকে একটু পানি পান করতে দিন।

খলীফার নির্দেশে তাকে একটি পাত্রে পানি পান করতে দেয়া হল। সুচতুর হরমুজান পানির পাত্র হাতে নিয়ে তা পান না করে ভীতু ভীতু ভাব দেখাতে লাগলেন এবং ডানে বামে তাকাতে লাগলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, “কি হলো, আপনি পানি পান করছেন না কেন?” তিনি জবাব দিলেন,” আমিরুল মুমিনিন, আমার ভয় হচ্ছে যে, পানিটুকু পান করার আগেই আমাকে হত্যা করে ফেলা হয় কিনা?”

খলীফা হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “আপনি নির্ভয়ে পান করুন। হাতের পানি পান করার পূর্বে আপনাকে হত্যা করা হবে না। এ ব্যাপারে আপনাকে নিশ্চয়তা দিলাম।

হরমুজান আমীরুল মুমিনিনের এ কথা শেষ হবার সাথে সাথেই হাতের পানির পাত্রটি মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন, আর বললেন,

মহামান্য খলীফা, আপনি নিজেই বলেছেন, হাতের পানিটুকু পান করার আগে আমাকে হত্যা করবেন না। আমি পানি ফেলে দিয়েছি, সে পানি আর পান করবো না। ওয়াদা অনুযায়ী আপনিও আমাকে আর হত্যা করতে পারবেন না।

হরমুজানের এ চাতুরীপূর্ণ কথা শুনে মুসলিম সৈনিকেরা খুব রেগে গিয়ে বললেন, ” আমীরুল মুমিনিন, আপনি অনুমতি দিন আমরা এখনই তার চাতুরীর সাধ মিটিয়ে দেই।তাকে এখনই হত্যা করে ফেলবো।

কিন্তু খলীফা হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সকলকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, “না তা হতে পারে না। মুসলমানের কথার মূল্য অনেক। সুতরাং যে কথা আমি বলে ফেলেছি, যেকোন মূল্যে আমি তা রক্ষা করবই ইনশাআল্লাহ। যেহেতু আমি তাকে বলেছি, তার হাতের পানিটুকু পান করার পূর্বে তাকে আমি হত্যা করব না, আর সে যখন পানি পান করেনি সুতরাং, বন্দী হরমুজানকে হত্যা করা চলবে না।হরমুজানকে লক্ষ্য করে তিনি বললেন, “যান। আপনি মুক্ত। আমার কথার খেলাফ আমি করবো না।

কথার কি অদ্ভুত দাম ! ওয়াদা পালনের কি অপূর্ব নযীর। হরমুজান কল্পনাও করতে পারেননি যে, তিনি এত সহজে মুক্তি লাভ করতে পারবেন। খলীফা হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর মহানুভবতা দেখে তিনি দারুণভাবে প্রভাবিত হলেন। তিনি ভাবলেন, এই যদি হয় ইসলামের আদর্শ তবে এর থেকে দূরে থাকা হবে আমার জন্যে চরম দুর্ভাগ্যজনক। ইসলামের অতুলনীয় আদর্শে মুগ্ধ হয়ে তিনি সাথে সাথে ইসলাম গ্রহণ করে নিলেন।

এমনিভাবেই যুগে যুগে ইসলামের অতুলনীয় আদর্শে মুগ্ধ হয়ে অসংখ্য মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

মূল: খন্দকার মুশতাক আহমদ.


.................................ফেসবুক থেকে সংগৃহীত...................................

ধনী ও গরিবের পরিচয়



ধনী ও গরিবের পরিচয়

একদিন এক ধনী পিতা তার ৮ বছরের সন্তান কে নিয়ে ঘুরতে বের হলেন। বাবা চেয়েছিলেন তার ছেলেকে বোঝাতে যে একজন মানুষ কি পরিমান দরিদ্র হতে পারে। তারা একটি গরিব পরিবারের Farm এ সময় কাটালেন। Farm থেকে বাড়ি ফিরার সময় বাবা ছেলে কে বললেন,"দেখলে তারা কি গরিব...
তাদের কাছ থেকে কি শিখলে??"

ছেলে জবাব দিল..."আমাদের ১ টি কুকুর...
...
তাদের ৪ টি। আমদের ১ টি ছোট Swimming Pool আছে ........ তাদের বিশাল নদী। আমাদের
রাতে বিভিন্ন ধরনের বাতি আলো দেয়... তাদের রাতে আলো দেয়ার জন্য আছে অসংখ্য তারা।
আমরা খাবার কিনি... তারা খাবার বানায়।
আমদেরকে Protect করার জন্য আছে ঘরের দেয়াল... তাদের Protect করার জন্য আছে তাদের অসংখ্য বন্ধু ও প্রতিবেশী।
আমদের আছে বিভিন্ন Famous লেখকের বই...
তাদের আছে
Quran ,Bible,Gita ...

ধন্যবাদ Dad, আমরা যে খুবই দরিদ্র তা আমাকে দেখানোর জন্য।"

MORAL : It's not about money that make us rich, it's about simplicity of having something that can't be judge by money or any price in our lives !


.................................ফেসবুক থেকে সংগৃহীত..........................................